ঢাকা , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পরও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুরের দুই আসনে দাঁড়িপাল্লার জয়ঃ গণভোটে “হ্যা” মেহেরপুরে ৮.৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মেহেরপুরে ডিবির অভিযানে ১০ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেপ্তার-১ মেহেরপুর জেলা জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন মেহেরপুরে ধানের শীষের প্রচারণার দায়িত্বে প্রিন্স আহমেদ ইমরান একাই তিন পদ, এক যুগ এক জেলাঃ মেহেরপুর মেহেরপুরে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে ‘সুপার ক্যারাভান’ প্রচারণা মেহেরপুর-১ আসনের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপি নেত্রী রোমানা আহমেদ মেহেরপুরে দুটি বিদেশি পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলিসহ দুই যুবক আটক অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্ট প্রসেনজিৎ হালদার গ্রেপ্তার
বিজ্ঞপ্তি :
শীঘ্রই শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে মেহেরপুর নিউজ এর  বস্তুনিষ্ঠ তথ্যে, চারপাশের খবর" নিয়ে শীঘ্রই আসছে মেহেরপুর নিউজ অনুসন্ধানী সংবাদ
ধানখোলা সড়কে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের তাণ্ডব!

ককটেলের গর্জন, তারপর লুটপাট

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা সড়কে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে পথচারীদের কাছ থেকে টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিয়েছে সংঘবদ্ধ এক ডাকাতচক্র।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাত সোয়া ৯ টার সময় বিল্লালের নার্সারির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৭ থেকে ৮ জনের একটি ডাকাতদল দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল নিয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয়। হঠাৎ তারা পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আশপাশে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এরপর পথচারীদের ঘিরে ফেলে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ অর্থ লুট করে নেয়। ভুক্তভোগীরা সবাই ধানখোলা, মহিষাখোলা ও আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

ডাকাতির শিকার অন্তত ২০ জনের মধ্যে রয়েছেন, ইয়াসির আরাফাত (৭ হাজার টাকা), আব্দুল হালিম (৬০০ টাকা), শাহজামাল (৫ হাজার টাকা), রেজিয়া খাতুন (৭০০ টাকা), দুইজন মিন্টু (যথাক্রমে ২ হাজার ৫০০ ও ৯ হাজার ৭০০ টাকা), মহব্বত আলী (২ হাজার ২০০ টাকা), কুরসিয়া খাতুন (২ হাজার ৫০০ টাকা)। এ ছাড়া আরও বেশ কয়েকজনের কাছ থেকেও অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার পরপরই গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ধানখোলা সড়কে প্রায়ই ডাকাতি, ছিনতাই ও হামলার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর রাস্তায় চলাচল করাই যেন আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন বহু মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করলেও কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। বারবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও সড়কে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদারের পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছ।

Tag :

অনুগ্রহ করে আপনার মতামত আমাদের পাঠান

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পরও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুরের দুই আসনে দাঁড়িপাল্লার জয়ঃ গণভোটে “হ্যা”

ধানখোলা সড়কে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের তাণ্ডব!

ককটেলের গর্জন, তারপর লুটপাট

আপলোডের সময় : ০৬:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট ২০২৫

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা সড়কে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে পথচারীদের কাছ থেকে টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিয়েছে সংঘবদ্ধ এক ডাকাতচক্র।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাত সোয়া ৯ টার সময় বিল্লালের নার্সারির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৭ থেকে ৮ জনের একটি ডাকাতদল দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল নিয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয়। হঠাৎ তারা পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আশপাশে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এরপর পথচারীদের ঘিরে ফেলে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ অর্থ লুট করে নেয়। ভুক্তভোগীরা সবাই ধানখোলা, মহিষাখোলা ও আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

ডাকাতির শিকার অন্তত ২০ জনের মধ্যে রয়েছেন, ইয়াসির আরাফাত (৭ হাজার টাকা), আব্দুল হালিম (৬০০ টাকা), শাহজামাল (৫ হাজার টাকা), রেজিয়া খাতুন (৭০০ টাকা), দুইজন মিন্টু (যথাক্রমে ২ হাজার ৫০০ ও ৯ হাজার ৭০০ টাকা), মহব্বত আলী (২ হাজার ২০০ টাকা), কুরসিয়া খাতুন (২ হাজার ৫০০ টাকা)। এ ছাড়া আরও বেশ কয়েকজনের কাছ থেকেও অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার পরপরই গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ডাকাতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ধানখোলা সড়কে প্রায়ই ডাকাতি, ছিনতাই ও হামলার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর রাস্তায় চলাচল করাই যেন আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন বহু মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করলেও কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। বারবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও সড়কে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদারের পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছ।