ঢাকা , শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পরও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুরের দুই আসনে দাঁড়িপাল্লার জয়ঃ গণভোটে “হ্যা” মেহেরপুরে ৮.৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মেহেরপুরে ডিবির অভিযানে ১০ বোতল ভারতীয় মদসহ গ্রেপ্তার-১ মেহেরপুর জেলা জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন মেহেরপুরে ধানের শীষের প্রচারণার দায়িত্বে প্রিন্স আহমেদ ইমরান একাই তিন পদ, এক যুগ এক জেলাঃ মেহেরপুর মেহেরপুরে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে ‘সুপার ক্যারাভান’ প্রচারণা মেহেরপুর-১ আসনের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপি নেত্রী রোমানা আহমেদ মেহেরপুরে দুটি বিদেশি পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলিসহ দুই যুবক আটক অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্ট প্রসেনজিৎ হালদার গ্রেপ্তার
বিজ্ঞপ্তি :
শীঘ্রই শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে মেহেরপুর নিউজ এর  বস্তুনিষ্ঠ তথ্যে, চারপাশের খবর" নিয়ে শীঘ্রই আসছে মেহেরপুর নিউজ অনুসন্ধানী সংবাদ
বেনাপোল দিয়ে ৪০০ কেজি আম পাঠালো বাংলাদেশ

গোপনে উপহার গেল ভারতে

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গোপনীয়তার মধ্যে ভারতের ভিআইপিদের জন্য উপহার হিসেবে আম পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।
গত মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকেলে ৪০০ কেজি ওজনের ৮০টি কার্টুন আম ভারতে রপ্তানি করা হয়, যা পাঠানো হয় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে।
সূত্র জানায়, উপহার সামগ্রী হিসেবে পাঠানো এসব আম কোলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনের মাধ্যমে ভারতের নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আম পাঠানোর বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সরকারি চিঠিতে স্পষ্টভাবে আম, র‍্যাপিং পেপার ও প্রধান উপদেষ্টার কমপ্লিমেন্টারি কার্ডসহ উপহার সামগ্রির বিস্তারিত তালিকা এবং প্রেরণের অনুমোদন উল্লেখ ছিল।
আম পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হয় ঢাকা মেট্টো-ণ-২০-২৭৯০ নম্বরের একটি ট্রাক। ট্রাকটির চালক ছিলেন মো. মোক্তার। রবি ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্সি পুরো প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে ইস্যুকৃত কার পাসে চালক, গাড়ি, চালান নম্বর, পণ্যের ওজনসহ যাবতীয় তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়, এবারের আম পাঠানোর ক্ষেত্রে পূর্বের মতো দুই দেশের কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। পুরো কার্যক্রমটি কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে সম্পন্ন হয়। বন্দরীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরপরই ট্রাকটি ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায় এবং পরবর্তীতে সড়কপথে আমগুলো কোলকাতায় পৌঁছে নির্ধারিত ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এই উপহার বিনিময় দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্কের বন্ধনকে আরও মজবুত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি এটিকে একটি সৌজন্যমূলক কূটনৈতিক রীতি হিসেবেও দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

অনুগ্রহ করে আপনার মতামত আমাদের পাঠান

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পরও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুরের দুই আসনে দাঁড়িপাল্লার জয়ঃ গণভোটে “হ্যা”

বেনাপোল দিয়ে ৪০০ কেজি আম পাঠালো বাংলাদেশ

গোপনে উপহার গেল ভারতে

আপলোডের সময় : ১২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গোপনীয়তার মধ্যে ভারতের ভিআইপিদের জন্য উপহার হিসেবে আম পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।
গত মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকেলে ৪০০ কেজি ওজনের ৮০টি কার্টুন আম ভারতে রপ্তানি করা হয়, যা পাঠানো হয় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে।
সূত্র জানায়, উপহার সামগ্রী হিসেবে পাঠানো এসব আম কোলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনের মাধ্যমে ভারতের নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আম পাঠানোর বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সরকারি চিঠিতে স্পষ্টভাবে আম, র‍্যাপিং পেপার ও প্রধান উপদেষ্টার কমপ্লিমেন্টারি কার্ডসহ উপহার সামগ্রির বিস্তারিত তালিকা এবং প্রেরণের অনুমোদন উল্লেখ ছিল।
আম পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হয় ঢাকা মেট্টো-ণ-২০-২৭৯০ নম্বরের একটি ট্রাক। ট্রাকটির চালক ছিলেন মো. মোক্তার। রবি ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্সি পুরো প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে ইস্যুকৃত কার পাসে চালক, গাড়ি, চালান নম্বর, পণ্যের ওজনসহ যাবতীয় তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়, এবারের আম পাঠানোর ক্ষেত্রে পূর্বের মতো দুই দেশের কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। পুরো কার্যক্রমটি কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে সম্পন্ন হয়। বন্দরীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরপরই ট্রাকটি ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায় এবং পরবর্তীতে সড়কপথে আমগুলো কোলকাতায় পৌঁছে নির্ধারিত ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এই উপহার বিনিময় দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্কের বন্ধনকে আরও মজবুত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি এটিকে একটি সৌজন্যমূলক কূটনৈতিক রীতি হিসেবেও দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।