ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভুয়া সেনা কর্মকর্তা ও ব্যাংকারের ভয়ংকর প্রতারণাঃ দেশজুড়ে গ্রেপ্তার ৭ মেহেরপুরে এসপির নামে চাঁদাবাজি চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার ডিবির অভিযানে গাংনীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গাংনীতে ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় ‘বোমা হোসেন’ গ্রেপ্তার মেহেরপুরে ডিবির সাঁড়াশি অভিযানঃমাদক-জুয়ায় গ্রেপ্তার ৪ বাংলাদেশি বৃদ্ধকে ধরে নিল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে আটক গ্রামবাসীর মেহেরপুরে ৯৬টি ল্যান্ডমাইন উদ্ধার, মধুগাড়ী ঘাটে নিষ্ক্রিয় ৩৬ ঘণ্টায়ও মেহেরপুরে পৌঁছায়নি বোমা ডিসপোজাল ইউনিট মেহেরপুরে যৌথ অভিযানে ৪ কেজি গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার-৭ দর্শনা সীমান্তে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ পাচারকারী আটক

মেহেরপুরে এসপির নামে চাঁদাবাজি চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

খান মাহমুদ আল রাফি
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩২১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খুলনার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) তাজুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে চাঁদা দাবি ও প্রতারণার অভিযোগে সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর শহরের ঘোষপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিহাদ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তিনি ওই এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। এর আগে শহরের মহিলা কলেজ এলাকা থেকে একই চক্রের আবির নামে অপর এক সদস্যকে আটক করা হয়েছিলো। আবির বর্তমানে দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে রয়েছে।

প্রতারণার মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা আলীরাজ বিশ্বাস গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিহাদের ভাই বিপুল দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই মেহেরপুরে অবস্থানরত কয়েকজনের সঙ্গে যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন তিনি। সম্প্রতি প্রতারণার নতুন কৌশল হিসেবে খুলনার সাবেক এসপি তাজুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে মেহেরপুরের কয়েকজনের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি শুরু করে চক্রটি।

চক্রটি মেহেরপুরের আবির ও সুজন নামে দুই যুবকের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সিম সংগ্রহের পরিকল্পনা করে। পরে সুজন এক সিম বিক্রেতার কাছ থেকে কৌশলে ১৮টি সচল সিম সংগ্রহ করে জিহাদের কাছে হস্তান্তর করেন। এসব সিমের একটি নম্বর ব্যবহার করেই খুলনার সাবেক এসপির পরিচয়ে চাঁদা দাবি করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চাঁদাবাজির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নম্বরটির অবস্থান শনাক্ত করে ডিবির একটি বিশেষ দল। পরে অভিযান চালিয়ে জিহাদ ও আবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ধারণা, গ্রেপ্তার দুজনের পাশাপাশি এই চক্রে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

মেহেরপুর জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পার্সন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারণায় ব্যবহৃত সিমের সূত্র ধরে চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় জিহাদকে আটকের মধ্য দিয়ে অন্য জেলার এক পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অপর সদস্যকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মেহেরপুরে এসপির নামে চাঁদাবাজি চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) তাজুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপে চাঁদা দাবি ও প্রতারণার অভিযোগে সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর শহরের ঘোষপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিহাদ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তিনি ওই এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। এর আগে শহরের মহিলা কলেজ এলাকা থেকে একই চক্রের আবির নামে অপর এক সদস্যকে আটক করা হয়েছিলো। আবির বর্তমানে দুই দিনের পুলিশ রিমান্ডে রয়েছে।

প্রতারণার মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা আলীরাজ বিশ্বাস গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিহাদের ভাই বিপুল দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে অবস্থান করছেন। সেখান থেকেই মেহেরপুরে অবস্থানরত কয়েকজনের সঙ্গে যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন তিনি। সম্প্রতি প্রতারণার নতুন কৌশল হিসেবে খুলনার সাবেক এসপি তাজুল ইসলামের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে মেহেরপুরের কয়েকজনের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি শুরু করে চক্রটি।

চক্রটি মেহেরপুরের আবির ও সুজন নামে দুই যুবকের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সিম সংগ্রহের পরিকল্পনা করে। পরে সুজন এক সিম বিক্রেতার কাছ থেকে কৌশলে ১৮টি সচল সিম সংগ্রহ করে জিহাদের কাছে হস্তান্তর করেন। এসব সিমের একটি নম্বর ব্যবহার করেই খুলনার সাবেক এসপির পরিচয়ে চাঁদা দাবি করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চাঁদাবাজির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নম্বরটির অবস্থান শনাক্ত করে ডিবির একটি বিশেষ দল। পরে অভিযান চালিয়ে জিহাদ ও আবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ধারণা, গ্রেপ্তার দুজনের পাশাপাশি এই চক্রে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

মেহেরপুর জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পার্সন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত শুরু করে জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারণায় ব্যবহৃত সিমের সূত্র ধরে চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় জিহাদকে আটকের মধ্য দিয়ে অন্য জেলার এক পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক অপর সদস্যকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’