সংবাদ শিরোনাম ::
মেহেরপুরে ডিবির সাঁড়াশি অভিযানঃমাদক-জুয়ায় গ্রেপ্তার ৪
খান মাহমুদ আল রাফি
- আপডেট সময় : ০৭:১৮:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
মেহেরপুরে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে দিনব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। জেলার গাংনী ও মেহেরপুর সদর থানা এলাকায় পৃথক অভিযানে ২০ পিস ইয়াবা, ১৫ পিস নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও অনলাইন জুয়া খেলায় ব্যবহৃত তিনটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি প্রদীপ কুমার সানার নেতৃত্বে ডিবির একটি টিম জেলার গাংনী ও মেহেরপুর সদর থানা এলাকায় পৃথক অভিযানগুলো পরিচালনা করে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম অভিযানে গাংনী থানার ছাতিয়ান শেখপাড়া গ্রামের মো. গোলাপের বসতবাড়ির উত্তর-পূর্ব পাশে মো. বজলুর মেহগনি বাগান থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ী মো. মাফিক হোসেনকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ছাতিয়ান গ্রামের মো. মতিয়ার রহমানের ছেলে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ২ গ্রাম ওজনের ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ হাজার টাকা।
দ্বিতীয় অভিযানে গাংনী থানার নওদাপাড়া বাজারে ‘মিঠুর দোকানে’ অভিযান চালায় ডিবি। সেখানে বসে অনলাইনে জুয়া খেলার সময় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন, নওদাপাড়া গ্রামের মো. ইসলাম আলীর ছেলে মো. শিমুল মিয়া (৩৩) এবং মাইলমারী গ্রামের মো. মিজানুর রহমানের ছেলে মো. মিন্তু-উজ-জামান (৩১)। এ সময় অনলাইন জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত তিনটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
অপর একটি অভিযানে মেহেরপুর সদর থানার কেশবপাড়া গ্রামের দিঘীরপাড়া থেকে বেড়াপাড়াগামী সড়ক থেকে মো. লিজন (৪৫) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মেহেরপুর শহরের হোটেল বাজার এলাকার মৃত আব্দুল ছাত্তারের ছেলে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ৬ গ্রাম ওজনের ১৫ পিস নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসব ট্যাপেন্টাডলের আনুমানিক মূল্য ৪ হাজার ৫০০ টাকা।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, পৃথক এসব ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মেহেরপুর সদর ও গাংনী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এবং জুয়া প্রতিরোধ আইনে পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে।
মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি প্রদীপ কুমার সানা বলেন, মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অবস্থান কঠোর। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক কারবার ও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।









